প্রচ্ছদ » কারেন্ট ইভেন্ট » চলে গেলেন বাংলার সাহিত্য আন্দোলনের অন্যতম প্রাণ পুরুষ।

চলে গেলেন বাংলার সাহিত্য আন্দোলনের অন্যতম প্রাণ পুরুষ।

Posted By:নিজস্ব প্রতিবেদক | Posted In:কারেন্ট ইভেন্ট,জাতীয়,প্রধান বার্তা,বাংলাদেশ,বিনোদন,ব্রেকিং নিউজ,রাজধানী,শিক্ষা,শিশু বিভাগ,সাহিত্য ও সংস্কৃতি | Posted On:Dec 24, 2014

নিজস্ব প্রতিবেদক  ।।  টুডেবার্তা  ।।

কেবল একুশে পদক নয়, শিশুসাহিত্যে অবদানের জন্য ১৯৬২ সালে পশ্চিমবঙ্গ যুব উৎসব পুরস্কার, ১৯৭১ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার, ১৯৮৩ সালে আলাওল সাহিত্য পুরস্কার, ১৯৮৬ সালে অগ্রণী ব্যাংক শিশুসাহিত্য পুরস্কার, ১৯৯৯ সালে শিশু একাডেমি পুরস্কার, ২০০৪ সালে কবীর চৌধুরী শিশু সাহিত্য পুরস্কার এবং ২০০৭ সালে ইউরো শিশু সাহিত্য পুরস্কার পেয়েছেন।

তার প্রকাশিত বইয়ের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- ‘এক যে ছিল নেংটি’; ‘হঠাৎ রাজার খামখেয়ালী’; ‘কাটুম কুটুম’; ‘ছোট্ট রঙিন পাখি’ এবং তনু ও তপু সিরিজের কয়েক ডজন বই।সংকলনের মধ্যে রয়েছে- ‘বাছাই করা গল্প উপন্যাস’; ‘দুই বাংলার ছোটদের শ্রেষ্ঠ গল্প’; অশোককুমার মিত্রের সঙ্গে সম্পাদিত ‘দুই বাংলার নির্বাচিত কিশোর গল্প’; ‘সমগ্র ও সংকলন-১’ ইত্যাদি।

ষাটের দশকে বাংলার সাহিত্য আন্দোলনের পুরোভাগে যারা ছিলেন, এখ্‌লাসউদ্দিন ছিলেন তাদেরই একজন।বাংলা একাডেমির দীর্ঘদিনের পরিচালক ফজলে রাব্বি এক স্মৃতিচারণমূলক প্রবন্ধে সেই সময়ের এখ্‌লাসউদ্দিনের কথা তুলে ধরেছেন।   তিনি লিখেছেন, বিগত তিন-চার বছরে প্রকাশনা ক্ষেত্রে আমরা (বাংলা একাডেমি) যে নতুনত্ব আনতে পেরেছিলাম।

এখলাস বইঘরের সহায়তায় মাত্র দুটি বই (এক যে ছিল নেংটি ও দুই বাংলার ছড়ার সংকলন,ছড়ায় ছড়ায় ছন্দ ) প্রকাশ করে তার চেয়ে অনেক বেশি আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল।… এরপর এখলাসের সম্পাদনায় মাসিক কিশোর পত্রিকা ‘টাপুর টুপুর’ প্রকাশিত হতে লাগল। সব মিলিয়ে এখলাস একাই বাংলাদেশে শিশুসাহিত্য প্রকাশনায় যেন বিপ্লব এনে ফেলল।

বুধবার ভোর ৪টায় রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে ৭৪ বছর বয়সে মারা যান ঊনিশশ ষাটের দশকের জনপ্রিয় কিশোর পত্রিকা ‘টাপুর টুপুর’ এর এই সম্পাদক।