প্রচ্ছদ » Slider » পর্যটন এলাকা কুয়াকাটার প্রাকৃত্রিক বৈচিত্র্য !

পর্যটন এলাকা কুয়াকাটার প্রাকৃত্রিক বৈচিত্র্য !

Posted By:নিজস্ব প্রতিবেদক | Posted In:Slider,চিত্র-বিচিত্র,পর্যটন | Posted On:Nov 21, 2014

নিজস্ব প্রতিবেদক ।। টুডেবার্তা ::

পূর্ব দিকে গঙ্গামতির খালে কুয়াকাটার সমুদ্র সৈকত শেষ হয়েছে। এখান থেকেই শুরু হয়েছে গঙ্গামতির জঙ্গল। অনেকে একে গজমতির জঙ্গলও বলে থাকেন। নানান রকম বৃক্ষরাজি ছাড়াও এ জঙ্গলে আছে বিভিন্ন রকম পাখি, বন মোরগ-মুরগি, বানর ইত্যাদি।

কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের পূবদিকে গঙ্গামতির জঙ্গল ছাড়িয়ে আরও সামনে গেল আছে কাঁকড়ার দ্বীপ। এখানে দেখা মেলবে লাল কাঁকড়ার। নির্জনতা পেলে এ জায়গার সৈকত লাল করে বেড়ায় কাঁকড়ার দল।

কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের পশ্চিম পাশে নদী পার হলেই সুন্দরবনের শ্বাসমূলীয় বনাঞ্চল, নাম তার ফাতরার বন। কুয়াকাটা থেকে ফাতরার বনে যেতে হবে ইঞ্জিন নৌকায়।

 সুন্দরবনের সব বৈশিষ্ট এ বনে থাকলেও এখানে কোন হিংস্র প্রাণী থাকে না। শুকর,বন মোরগ, বানর আর নানান পাখি আছে এ বনে। কুয়াকাটা নামকরণের ইতিহাসের পেছনে যে কুয়া সেটি এখনও টিকে আছে। সমুদ্র সৈকতের কাছে রাখাইনদের বাসস্থল কেরাণিপাড়ার শুরুতেই প্রাচীন কুয়ার অবস্থান।ভুল সংস্কারের ফলে এর সৌন্দর্য নষ্ট হয়ে গেছে।

যানা যায়, ১৭৮৪ সালে বর্মী রাজা রাখাইনদের মাতৃভূমি আরাকান দখল করে। বহু রাখাইন জায়গাটি ছেড়ে নৌকাযোগে আশ্রয়ের খোঁজে বেড়িয়ে পড়েন। চলতি পথে তারা বঙ্গোপসাগরের তীরে রাঙ্গাবালি দ্বীপের খোঁজ পান। মিষ্টি পানির জন্য তারা এখানে একটি কূপ খণন করেন। সেই থেকে জায়গাটি কুয়াকাটা নামে পরিচিতি পায়।