প্রচ্ছদ » Slider » অগ্রিম টিকিট পেতে ভোগান্তিতে যাত্রীরা

অগ্রিম টিকিট পেতে ভোগান্তিতে যাত্রীরা

Posted By:নিজস্ব প্রতিবেদক | Posted In:Slider,জাতীয়,ব্রেকিং নিউজ,লাইফ স্টাইল | Posted On:Jun 03, 2019
train

টুডেবার্তা ::

ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে পরিবার নিয়ে গ্রামের বাড়িতে ঈদ করতে আসা চাকরিজীবীদের নির্ধারিত সময়ে কর্মস্থলে ফেরা নিয়ে অনিশ্চিয়তা দেখা দিয়েছে। ঈদ শেষে ট্রেন ও বাসের অগ্রিম টিকিট পেতে তাদের ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। ৮ থেকে ১০ জুন পর্যন্ত বাসের টিকিটের চাপ খুব বেশি। অধিকাংশ বাসের টিকিটি এরই মধ্যে বিক্রি শেষ। এ সুযোগে কিছু পরিবহন শ্রমিক যাত্রীদের জিম্মি করে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

অন্যদিকে  রেল যাত্রীদের জন্য মোট বরাদ্দ টিকেটের অর্ধেক কাউন্টারে আর অর্ধেক মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে বিক্রি হওয়া কথা। কাউন্টারের অর্ধেক টিকেট বিক্রি শুরুর কিছুক্ষণের মধ্যেই শেষ হয়ে গেছে। মোবাইল অ্যাপে টিকিট কোনও কোনও যাত্রী ভাগ্যক্রমে পাচ্ছেন। আর কেউ কেউ মোটেই পাচ্ছেন না। ফলে অ্যাপের অর্ধেক টিকিটের কোনও খোঁজ পাচ্ছেন না যাত্রী ও স্টেশনের দায়িত্বরত কর্মকর্তারা।

ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বাংলাদেশ রেলওয়ে ২২ মে থেকে অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু করেছে। যা চলে ২৬ মে পর্যন্ত। আর ফিরতি টিকিট বিক্রি শুরু হয় ২৯ মে থেকে যা শেষ হয়েছে ২ জুন।

টিকিট কিনতে আসা এক যাত্রী বলেন,‘মোবাইল অ্যাপে কোনও টিকিট পাওয়া যাচ্ছে না। এখানেও একটা মাত্র কাউন্টার থেকে সব টিকিট বিক্রি হচ্ছে।’

খুলনা রেল স্টেশনের টিকিট বুকিং সহকারী লিটন হোসেন বলেন,‘মোবাইল অ্যাপের টিকিট দুই-একজন কিনতে পারছেন। কাউন্টারের জন্য বরাদ্দ  টিকিট বিক্রি শুরুর সঙ্গে সঙ্গে শেষ হয়ে গেছে। ঈদ স্পেশাল ট্রেনের সার্কুলার হলেও কাউন্টারে কিছু জানানো হয়নি।’

হানিফ পরিবহনের ম্যানেজার জানান, ৮ থেকে ১০ জুন পর্যন্ত টিকিটের চাপ বেশি। তারা ১ জুন থেকে অগ্রিম টিকিট ছেড়েছেন।তবে ঈদের সময় বাস ভাড়া দুই-তিনশ’ টাকা বেশি নেওয়ার কথা তিনি জানান। এর কারণ যাত্রীদের পৌঁছে দেওয়ার পর খালি বাস নিয়ে ফিরে আসতে হয়। অথচ একটা ট্রিপে তাদের আট হাজার থেকে বার হাজার টাকা খরচ হয়।